সামান্য হ্যামস্ট্রিং সমস্যার কারণে কোচ লিওনেল স্কালোনি তাকে শুরুর একাদশে রাখেননি। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯তম মিনিটে মাঠে নামার পর প্রায় ৮৮ হাজার দর্শকের করতালিতে সাড়া দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার উপস্থিতিতে আক্রমণে গতি ফিরে পায় দল। মেসির নিখুঁত পাস থেকে তৈরি হওয়া এক আক্রমণে বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন লাউতারো মার্তিনেজ। এরপর ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন মেসি।
এই গোলের মাধ্যমেই আর্জেন্টিনা ফুটবলের প্রায় সাত দশক পুরোনো একটি রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি। ৩৮ বছর ১১ মাস ১৮ দিন বয়সে গোল করে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলদাতার মর্যাদা অর্জন করেন মেসি।
এছাড়া ম্যাচটি ছিল মেসির ১৯৯তম আন্তর্জাতিক উপস্থিতি। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে মাঠে নামলেই তিনি দেশের হয়ে ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার বিরল মাইলফলক স্পর্শ করবেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডও তার নাগালের মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে সেই কীর্তিটি ধরে রেখেছেন মার্টিন পালের্মো, যিনি ২০১০ বিশ্বকাপে এই রেকর্ড গড়েছিলেন।
আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনা তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। সেই ম্যাচে সমর্থকদের দৃষ্টি থাকবে মেসির দিকে- আরও কোনো নতুন রেকর্ড তার পায়ে লেখা হয় কি না, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।


